This is default featured slide 1 title
This is default featured slide 4 title
 

মানবাধিকার

মানবাধিকার কিঃ- মানবাধিকার বলতে আইনগত ও নৈতিক অধিকার গুলোর মধ্যে সেগুলোই মানবাধিকার যেগুলো পৃথিবীর সকল মানুষ শুধু মানুষ হিসাবে দাবী করতে পারে। এ অধিকারগুলো কোন দেশ বা কালের সীমানায় আবদ্ধ নয়। এগুলো চিরন্তন এবং সার্বজনীন। পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষ প্রকৃতিগতভাবে এ অধিকারগুলো নিয়ে জন্ম গ্রহণ করে। অপরাধ এবং দূর্নীতি বিরোধী মানবাধিকার ভিত্তিই হলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার অপরাধ দমন সংস্থা। এক কথায় মানবাধিকার-লঙ্ঘন জনিত অপরাধ, ও দূর্নীতি বিরোধী সেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যাণ মূলক মানবাধিকার সংস্থা। এ সংস্থাটি  ২০০৮ ইং সন থেকে বাংলাদেশে কার্য্যক্রম শুরু করে অপরাধ বিষয়ক সংবাদ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রচার সহ সমাজের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করে সরকারের সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপকে অপরাধ ও দুর্নীতি সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্যগত সহযোগীতা দিয়ে আসছে।

মানবাধিকার এর আর্দশ এবং উদ্দেশ্যঃ- সারা বিশ্বের দূঃস্থ ও গরীব লোকদের আইনী সহযোগীতা করা, যে কোন মানবাধিকার বিরোধী কার্যকলাপ ও মানবাধিকার লঙ্ঘন কারীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া, আন্তর্জাতিক ও বাংলাদেশ মানবাধিকার সংক্রান্ত কার্যক্রম পর্যালোচনা করা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন ও মানবাধিকার দুর্নীতির রির্পোট সংগ্রহ করা এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্তৃপক্ষকে, অপরাধ ও দূর্নীতি বিষয়ে তথ্যগত সহযোগীতা করা। মানবাধিকার অপরাধ ও দূর্নীতি প্রবনতা কমিয়ে আনতে মানবাধিকার এর পাশাপাশি সামাজিক অবয় রোধে মানবাধিকার লঙ্ঘন জনিত অপরাধীদের সনাক্ত করে অভিযোগকারীদের আইনগত সহায়তা দিয়ে এ যাবৎ শতাধিক পরিবারকে বিপর্যযের হাত থেকে রক্ষা করেছে। নারী নির্যাতন, টাকা আত্মসাৎকারী, ভূমি জবরদখলকারী, অবৈধ নারী দেহ ব্যবসায়ী, নকল কারখানা পরিচালনা, বিদেশে অবৈধ শ্রমিক প্রেরণকারী দালালদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার এর সদস্য/সদস্যা যুগপৎ মানবাধিকার কর্মীরা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। তা ছাড়াও মানবাধিকার সদস্যরা অবৈধ বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি লাইন সংযোগকারীদের প্রতিহত করার প্রয়াস চালাচ্ছে এবং তালিকা তৈরী করে চলেছে। ভেজাল খাদ্য প্রস্তুত ও সরবরাহকারী পচনশীল মাছ-এ ফরমালিন ব্যবহারকারীদের সনাক্ত করন সহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার অপরাধ দমন সংস্থা কাঁচা ফল ক্যামিকেল প্রক্রিয়ায় পাকা ফলে রূপান্তরিত করার পদ্ধতি চালকদের সনাক্তের তথ্যানুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে। সংস্থায় প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান/ ব্যবস্থাপনা পরিচালক/মহা পরিচালক সংস্থার প্রধান কার্যালয় হতে সকল কার্যক্রম পরিচালনা এবং নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। প্রয়োজন বোধে অন্য যে কোন স্থান হতেও অনুরূপ নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন। সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী যথাক্রমে সহ সভাপতি, সেক্রেটারী জেনারেল, অর্থ সচিব, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সচিব, তথ্য সচিব, পরিচালক তদন্ত, সমাজ কল্যান সচিব, নির্বাহী সদস্য সর্বমোট  ১১ (এগার) সদস্য পর্যায়ক্রমে স্ব-স্ব দায়ীত্বে নিয়োজিত থেকে সংস্থার কার্যাবলী পরিচালনা করবেন।

মূলনীতিঃ- গর্বিত নাগরিক হিসাবে দেশকে গড়ে তোলা এবং সমাজের প্রতিটি স্তর থেকে অপরাধ ও দূর্নীতি নিরর্মূল করে অপরাধ ও দূর্নীতি মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি সহ গনসচেতনতায় সাধারন মানুষের উদ্ধ করাই হলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার অপরাধ দমন সংস্থা এর মূলনীতি। এর কার্য নির্বাহী পরিষদের সদস্য/ সদস্যাগণ দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে সুষ্ঠ ও গঠন মূলক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার অভিপ্রায়ে অঙ্গীকারাবদ্ধ।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার অপরাধ দমন সংস্থা এর সদস্য পদ কেন ? দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলার নাজুক পরিস্থিতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী, ঘুষদূর্নীতি, পুরুষ, নারী, ও শিশু নির্যাতন, যৌতুক প্রথা, নারী ও শিশু পাচার, চোরাচালান, অবৈধ পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস লাইন সংযোজন, বাল্যবিবাহ, আবাসিক হোটেল ও ভাড়াকৃত বাড়িতে নারীদেহ ব্যবসা, অসামাজিক কার্যকলাপ, মাদকদ্রব্য সেবন ও ক্রয়-বিক্রয়, ভূমিসন্ত্রাসী কার্যকলাপ, ভূমি জবরদখল, জালদলিল তৈরী, দলিল জাল-জালিয়াতী ও সৃজনকারী চক্র, প্রতারক আদম ব্যবসায়ী, বিভিন্ন দ্রব্য সামগ্রীর নকল কারখানা পরিচালনাকারী, ভেজাল খাদ্য প্রস্তুতকারী, ভেজাল মবিল প্রস্তুতকারী ইত্যাদি বিষয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনজনিত সকল কাজের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে, গণসচেতনতাসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সার্বিক সহায়তা করতে, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সারাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। উল্লেখিত বিষয়ালোকে কাজ করতে আগ্রহী ব্যক্তিদের অত্র সংস্থার সাধারণ সদস্য/ সদস্যা পদ গ্রহণ করনার্থে ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ও ১ কপি ষ্ট্যাম্প সাইজ রঙ্গিন সদ্যতোলা ছবিসহ নিম্নতম শিক্ষাগত যোগ্যতা  অষ্টম শ্রেনী, এইচ .এস.সি পরীক্ষায়  উত্তীর্ণ  সনদপত্র  সংযুক্ত এলাকার চেয়ারম্যান কর্তৃক  চারিত্রিক  সনদ পত্রসহ অত্র সংস্থার চেয়ারম্যান/ব্যবস্থাপনা পরিচালক/মহা পরিচালক বরাবর সংস্থা কর্তৃক ছাপানো ফরমে আবেদন করে সদস্য/সদস্যা পদে অধিষ্ঠিত হতে হবে। তবে উল্লেখ্য যে, অত্র সংস্থায় কোন সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী/দাগী আসামী/নেশা গ্রস্ত/মাতাল/পাগল/ ইত্যাদি প্রকৃতির লোক সদস্য হওয়ার আবেদন করিতে পারিবে না। করিলেও গ্রহণযোগ্য হইবে না। উল্লেখিত কর্মকান্ডে নিয়োজিত সকল সম্মানিত সদস্য / সদস্যাদের বিবিধ সুযোগ সুবিধা দেয়ার বিষয়ে কর্তৃপক্ষ  সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সমাজ, জাতি ও দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সংশ্লিষ্ট বিষয় পদমর্যাদা সর্ম্পূন বলে বিবেচিত হবে। কর্তব্যরত অবস্থায় অপরাধ ও দূর্নীতি সংক্রান্ত কাজে সকল জেলা পর্যায়ের প্রতিনিধি ও সদস্য/সদস্যারা যাতে করে অযৌক্তিক হয়রানীর শিকার না হয় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী ও রক্ষাকারী সংস্থার সঠিক ভূমিকা সহ সংস্থা বিশেষ নজর রাখবে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার অপরাধ দমন সংস্থার সদস্য/সদস্যা পদের জন্য নিয়ম কানুনঃ- সদস্য ফরমের ক্রয়মূল্য ২৫০/- (দুইশত পঞ্চাশ) টাকা সহ ২৫০০/- (দুই হাজার পাঁচশত) টাকা সংস্থার তহবিলে জমা দিলে বাংলাদেশের যে কোন সুস্থ ও সু-নাগরিক সদস্য/সদস্যা পদ লাভ করতে পারিবে। সংস্থার উদ্দেশ্য সমূহ বাস্তবায়নের লক্ষে প্রত্যেক প্রতিনিধিকে সংস্থার আইডি কার্ড ইস্যু করা হবে এবং বছরান্তর উক্ত কার্ড সংস্থা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নির্ধারিত ফি ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা দিয়ে অবশ্যই নবায়ন করিয়ে নিতে হবে।